
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের শারফিন নগর গ্রামের মৃত রহিম উল্লাহর ছেলে আব্দুস সামাদ। তিনি মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও তার আপন ভাই মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমানের নাম ব্যবহার করে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান নামে পরিচয় দিতেন।জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র সহ মুক্তিযুদ্ধের নানা কাগজ পত্রে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান লিখে অবৈধ ভাবে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা উত্তোলন করতেন। দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা সহ নানা সুযোগ সুবিধা নিলেও বিষয়টি সবার অজানা ছিল।
মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান নাম ধারন কারি ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ মারা গেলে আব্দুর রহমানের পরিবারের লোকজনের মধ্যে মূল বিষয়টি ধরা পড়ে। ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ মারা গেলে তার ছেলে তাজুদ আলী স্থানীয় নোয়ারাই ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় হতে অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একটি ভূয়া ওয়ারিশান সনদ গ্রহন করে নানা সুযোগ সুবিধা গ্রহন করে থাকেন। ভূয়া সনদে দেখানো হয় মোঃ তাজুদ আলী, মাসুক মিয়া, আশুক মিয়া,নুরজাহান,নুর মালা,নুরেছা পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান। এছাড়া মোছা : রংমালা বেগম স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান।
২০২১ সালের ১২ জুলাই এ ভূয়া ওয়ারিশান সনদটি ইসূ করেন তৎকালিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান পীর আব্দুল খালিক রাজা।এ ভূয়া ওয়ারিশান সনদ প্রদান কারিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমানের ছেলে মোঃ জহুর আলী একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলেন নোয়ারাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দেওয়ান পীর আব্দুল খালিক রাজা, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১.২.ও ৩ নং ওয়ার্ড জোসনা বেগম, ইউপি সচিব বাবু ভূ�