
সিলেটে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক প্রবাসী বিএনপি নেতার উপর হামলা চালিয়েছেন মহানগর বিএনপির ৩১নং ওয়ার্ডের সভাপতি তাহির আলী (৫০) ও তার বাহিনী। হামলায় প্রবাসী বিএনপি নেতার বোনও মারাত্মক আহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে ওই প্রবাসী বিএনপি নেতা শাহপরাণ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
প্রবাসী বিএনপি নেতার নাম ইমাম উদ্দিন (৩৭)। তিনি শাহপরাণ থানার পিরেরচক এলাকার মনু মিয়া ও পরি বেগমের ছেলে এবং মালয়েশিয়া বিএনপির একজন নেতা।
আর অভিযুক্তরা হলেন, পীরেরচক গ্রামের মৃত ছমর আলীর ছেলে ও ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তাহির আলী, একই গ্রামের মৃত আব্দুল করিম পাখী মিয়ার ছেলে শফিক মিয়া (৫০), মৃত ফরিজ আলীর ছেলে ছনু মিয়া (৪৫), মৃত মতির মিয়ার ছেলে মনসুর মিয়া (৩৫) ও মতির মিয়ার মেয়ে লিমা বেগম (২৫)।
অভিযোগে ইমাম উদ্দিন উল্লেখ করেন, পীরেরচক এআরবি ব্রিক ফিল্ডের সামনে তার পৈতৃক জমিতে বসতঘর নির্মাণের জন্য বালু ভরাটের কাজ করছিলেন। গত ৬ মার্চ তাহির আলী তার লোকজনকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ইমাম উদ্দিনের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তিনি ভয়ভীতি দেখিয়ে হুমকি দিয়ে চলে যান। কিছু সময় পর দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১২ জন লোক নিয়ে ইমাম উদ্দিন ও তার বোন কলসুমা বেগমের (৪৫) উপর হমলা চালান। হামলায় ইমাম ও কলসুমা গুরুতর আহত হন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসতে দেখে হত্যার হুমকি দিয়ে অভিযুক্তরা চলে যান। স্থানীয়রা ভাই-বোনকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ব্যাপারে মালয়েশিয়া বিএনপি নেতা ইমাম উদ্দিন বলেন, বিএনপির একজন প্রবাসী নেতা হয়েও স্থানীয় বিএনপির নেতাকে চাঁদা না দেওয়ায় আজ আমি ও আমার বোনকে হামলায় আহত হতে হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। আমার পৈতৃক জমিতে আমি কাজ করাতে পারবনা, এ কোন আজব নিয়ম?
তিনি সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীসহ সবার কাছে এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
অবিলম্বে আসামীদের আইনের আওতায় আনতে তিনি পুলিশ প্রশাসনের প্রতিও জোর দাবি জানান ইমাম উদ্দিন।