August 7, 2026, 6:04 pm

দিরাইয়ে আদালতের নির্দেশে জব্দকৃত ১৫২০ লিটার দেশীয় মদ জিম্মায়

Reporter Name

দিরাই সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: ​

সুনামগঞ্জের দিরাই থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রুজুকৃত একটি মামলার জব্দকৃত আলামত (দেশীয় মদ) আদালতের নির্দেশে জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ও বন্ড দাখিল সাপেক্ষে আজ জিম্মাপ্রার্থী নিরঞ্জন সাহার কাছে এই মালামাল বুঝিয়ে দেয় দিরাই থানা পুলিশ। ​নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দিরাই থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ২৪(গ)/৩৭/৪১ ধারায় মামলাটি (নং-০১) রুজু করা হয়েছিল। উক্ত মামলায় ১৫২০ লিটার দেশীয় মদ জব্দ করা হয়। ​গত ৫ মে ২০২৬ তারিখে সুনামগঞ্জ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোহাম্মদ জসিমের আদালতে জিম্মার আবেদনটি শুনানির জন্য ওঠে। জিম্মাপ্রার্থী নিরঞ্জন সাহা (পিতা- মৃত নীল কান্ত সাহা) পক্ষে তার নিয়োজিত আইনজীবী ১৫২০ লিটার দেশীয় মদ জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন।

যদিও রাষ্ট্রপক্ষের সিএসআই (CSI) এই জিম্মার তীব্র বিরোধিতা করেন, তবে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আদেশ প্রদান করেন। ​আদেশে উল্লেখ করা হয় যে, মাননীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালত, সুনামগঞ্জ-এর ফৌজদারী রিভিশন মামলা (নং- ৯৫/২৬) মূলে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের নির্দেশনা অনুযায়ী কিছু শর্তসাপেক্ষে এই জিম্মা মঞ্জুর করা হয়েছে। ​আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জিম্মায় দেওয়ার আগে স্টিলের ড্রাম, প্লাস্টিকের ড্রাম এবং বোতল থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে নমুনা (সর্বমোট ১ লিটার ৫০০ গ্রাম এবং প্রত্যেক আলামত থেকে ১ লিটার করে নমুনা) ল্যাব টেস্ট ও ভবিষ্যতের জন্য সুনামগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এর দ্বারা সংরক্ষণ করা হয়েছে। ​৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা মূল্যের জিম্মানামা বা বন্ড দাখিলের শর্তে অবশিষ্ট মদ জিম্মাদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আদালত তলব করলে যেকোনো সময় এই আলামত হাজির করতে জিম্মাদার বাধ্য থাকবেন। ​আদালতের আদেশ অনুযায়ী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে মালামাল হস্তান্তরের প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ০৭/০৫/২৬ ইং বৃহস্পতিবার রাত ০৮টার দিকে দিরাই থানা কর্তৃপক্ষ যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মালামাল জিম্মাদারের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এবিষয়ে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি এনামুল হক চৌধুরী বলেন আদালতের নির্দেশক্রমে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মালামাল জিম্মাদারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য দিরাইয়ের হারানপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুমোদিত বৈধ (লাইসেন্স নং- ১৭৮/১৪) দেশি মদের দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন বাহুবলের মিরপুর এলাকার নিরঞ্জন সাহা, লিপি রানী সাহা ও নিখিল চন্দ্র সাহা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা