September 20, 2026, 2:56 am
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে ২৬ লাখ ৮০ হাজার ভারতীয় নাসির বিড়িসহ পিকআপ জব্দ,গ্রেফতার ১ ‎ বিশ্বনাথে ‘দুদু-কাউছার’পুলিশের খাঁচায় বন্দি সুনামগঞ্জের নতুনপাড়ায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের অফিস উদ্বোধন করেন পৌর প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক শিক্ষাই হচ্ছে একটি দেশের উন্নয়নের মূলভিত্তি -এমপি লুনা সুনামগঞ্জ জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক কমিটির প্রথম পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আজাদ মিয়া ফরুক এর সমর্থনে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা। সুনামগঞ্জে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের প্রণোদনা দিতে হবে: হুইপ জি কে গউছ ঢাকার দুই সিটিতে এনসিপির মেয়র প্রার্থী আসিফ ও নাসীরুদ্দীন দেড় দশকের সাংবাদিকতা, এবার ডেইলি অবজারভারের ছাতক প্রতিনিধি সাজ্জাদ মনির নেই অনুমোদন,সুনামগঞ্জের মঙ্গলকাটায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স মিল চালাচ্ছেন মিল মালিক আব্দুস সামাল

এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নির্বাচনে অংশ নিলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে: ইসি

বাংলাটাইমটিউনডেস্ক:

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা প্রার্থী হলে তাঁদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ কারণে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটের বাইরে রাখার চিন্তাভাবনা করছে কমিশন। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদধারীদের ভোটে অযোগ্য ঘোষণা ও এমপিওভুক্তদের ভোটে রাখাসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অরাজনৈতিক (নির্দলীয়) স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক পদধারীদের ভোটে অযোগ্য ঘোষণার দাবি নিয়ে ইসির কিছু বলার নেই বলেও মন্তব্য করেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন ছাড়া অরাজনৈতিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে। সে পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালাও সংশোধন হবে।

কোনো নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের কেউ কি এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার উল্টো প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘অরাজনৈতিকভাবে নির্বাচন তো হতেই হবে। যেহেতু আইন রয়েছে।…সেখানে কি এই বিষয়টা আমাদের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলার সুযোগ আছে? বলার সুযোগ তো নেই।’

এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা ভোটে অংশ নিলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা ভোটে অংশ নিলে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবেও থাকলে তাঁদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বলেই নির্বাচন কমিশন আইন সংশোধনের সুপারিশ রেখেছে।

এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাজটা হচ্ছে একটা নিরপেক্ষ, সুন্দরভাবে, সুষ্ঠুভাবে, বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে নির্বাচনটা উঠিয়ে আনা। যাঁরা শিক্ষকতা করেছেন, তাঁরা সবার সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁরা যাতে বিতর্কিত না হন…এর মধ্যে কেউ ইলেকশনে দাঁড়ালেন, সহকর্মীরা তাঁর পক্ষে কাজ করবেন; আবার তাঁদেরকেই প্রিসাইডিং, পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করতে হচ্ছে। অপর পক্ষ বলবে যে, তাঁরা তো নিরপেক্ষ না।’

নির্বাচন কমিশনার বলেন, সে কারণেই নির্বাচন কমিশনের অবজারভেশন হচ্ছে তাঁদের ভোটের বাইরে রাখা। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ যাতে নিশ্চিত হয়, সেটাকে বিবেচনায় রেখে নির্বাচন কমিশন এই চিন্তাভাবনাটা করছে। এখনো চূড়ান্তভাবে হয়নি। সেটা আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে, কেবিনেটে যাবে, সংসদে প্লেস হবে, তর্ক হবে, বিতর্ক হবে; তারপরে আইন হিসেবে আসবে। সেটা যদি সবার কনসেন্সাসে আসে, তবে হবে; না হলে না হবে।

জামায়াতের ৯ দফা

জামায়াতে ইসলামী নির্দলীয় স্থানীয় সরকার নিয়ে কয়েক দফা ইসির সঙ্গে বৈঠক করেছে। পরে দলটির নেতারা সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেছেন, ইসি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না, কমিশনকে অসহায় মনে হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমি চাপে আছি নাকি স্বাধীন আছি, এটা তো আমি জানি। বরং এ কথা বলে আমাদের চাপে রাখারই তো একটা ফর্মুলা আমি মনে করি। কারণ, আমরা যেটা করি না, নির্বাচন কমিশন যেভাবে কাজ করে না, সেটা যদি আপনি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, সেটাও সঠিক না।’

গণমাধ্যমে ইসির বিষয়ে কেউ কেউ নিজেদের মত, চিন্তাভাবনা ও বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সুতরাং, আপনার ভাবনাচিন্তা আপনার মতো করে আপনি করতেই পারেন। সবগুলো যে সব ক্ষেত্রে সঠিক হবে, তা না।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বহাল রাখার দাবি জামায়াত আগেও জানিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে ইসির প্রস্তাবকে অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক দাবি করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা