June 3, 2026, 1:07 pm
শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন ড. খলিলুর রহমান শিশু ফাহিমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে সিএনজি গাড়িতে যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে সং’ঘ’র্ষ, আ’হ’ত ২০ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আগস্টের শেষে তফসিল অক্টোবরে ভোটের চিন্তা শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির ঈদ পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির আলোচনা সভায় খন্দকার মুক্তাদির পৌরসভাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেয়র, প্রার্থী মল্লিক হাসনু জৈন্তাপুরে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন শাহ আব্দুল জব্বার নগর আলোকিত করতে প্রতিটি  ওয়ার্ডে বসবে আধুনিক  এলইডি লাইট: সিসিক প্রশাসক

টেক্সটাইল খাতে দক্ষতা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন জরুরি: মুক্তাদির

স্টাফ রিপোর্টার: 

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, টেক্সটাইল খাতকে টেকসই করতে শিল্পের দক্ষতা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন জরুরি। তিনি বলেন, ‘টেক্সটাইল শিল্পকে টেকসই করতে হলে শিল্পখাতকে আরও প্রতিযোগিতা সক্ষম ও আধুনিক করে গড়ে তুলতে হবে।’
গতকাল শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমোশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘কর্মসংস্থানে টেকসই উত্তরণ: টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও পথচলা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার নতুন করে সরকারি মালিকানায় কোনো মিল স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা করছে না। ব্যবসা পরিচালনায় ব্যক্তিই নেতৃত্ব দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার নীতিসহায়তা ও প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবে।
তিনি বিদ্যমান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর কারিকুলাম সময়োপযোগী করা এবং প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত হালনাগাদের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়নে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এবং সক্ষম বেসরকারি মিলগুলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর ফলে শিক্ষকের ঘাটতি কমবে, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন বাড়বে এবং শিক্ষার্থীরা বাস্তব শিল্প অভিজ্ঞতার সুযোগ পাবে।
তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, কস্ট অব ফান্ড এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা বর্তমানে টেক্সটাইল খাতের বড় চ্যালেঞ্জ। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ম্যানমেইড ফাইবার, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং ভ্যালু চেইনে আপগ্রেডেশনের মাধ্যমে খাতটিকে আরও প্রতিযোগিতাসক্ষম করা হবে।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্বাসউদ্দীন শায়ক।
প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ব্লু প্লানেট-এর নির্বাহী পরিচালক কাজী মাসুম রাশেদ এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি শওকত আজীজ রাসেল।
এছাড়া বক্তব্য দেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুস শহীদ, গোপালগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী রনি গাজী এবং সিরাজগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট-এর প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. কবির।
সেমিনারে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান, বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা এবং টেক্সটাইল খাতের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা